বাংলাদেশের নজর কারা ৫ জন ছোট পর্দার অভিনেত্রির মধ্যে একজন প্রভা। তার সেক্স স্ক্যান্ডাল দেখার পর অনেকেরি তার প্রতি ঘৃনা জন্মেছে। ঘৃনা জন্মানোটাই সাভাবিক। তবে কেউ কি ভেবে দেখেছেন আমরা যাকে ঘৃনা করছি সে আজ নিজেকে কত ঘৃনা করছে?
নিচের প্রতিবেদন টি পরুনঃ
জাকারিয়া সৌখিন-২২ ফেব্রুয়ারি
বাংলাদেশ প্রতিদিন-এ অপূর্ব-প্রভার ডিভোর্সের খবর ছাপা হয়েছে। সারাদিন এ নিয়ে নানা মানুষের কৌতূহল। ওইদিন রাত ৮টা ১২ মিনিটে আমার মোবাইলে একটি ফোন আসে। নিভু নিভু কণ্ঠের উচ্চারণ, 'আমি প্রভা বলছি...'। যাকে কেউ খুঁজে পাচ্ছে না, তার ফোন! বিস্ময়করই বটে। প্রভা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার কিছু কথা আছে। কথা তো থাকবেই। জল অনেক ঘোলা হয়েছে। কিন্তু কখনো মুখ খুলেননি তিনি। এবার মুখ খুলবেন। বললেন, 'শুধু একতরফাভাবে সবাই আমাকে দোষারোপ করেই গেল। আমি দোষী। কিন্তু সব দোষই কি আমার? এর ভাগিদার কি আর কেউ না?' প্রভার কথায় যুক্তি আছে। এক হাতে তালি বাজে না কখনো। তিনি জানান, ডিভোর্স নেওয়ার কোনো ইচ্ছা ছিল না তার। সংসার বাঁচানোর অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু পারেননি। তিনি বলেন, 'আমার চৌদ্দ গোষ্ঠীর মধ্যে কারও ডিভোর্স হয় নাই। আমার হইছে। আমি এটা চাই নাই। সংসার করার অনেক চেষ্টা করছি। কিন্তু পারি নাই।' প্রভার এ কথার সঙ্গে অপূর্বর কথার কোনো মিল নেই। অপূর্বও তো সংসার করতে চেয়েছেন। বিয়ের পরপর, এমনকি রাজিবের সঙ্গে প্রভার অনৈতিক ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ হওয়ার পরও অপূর্ব বলেছিলেন, তিনি প্রভার হাত কখনো ছাড়বেন না। এটিএন নিউজ-এ মুনি্ন সাহার উপস্থাপনায় অপূর্ব ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি প্রভার পাশে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। তাহলে সমস্যা হলো কোথায়? সমস্যা আছে। সেই সমস্যার কথা জানিয়ে প্রভা আবারও প্রমাণ করলেন, সত্যিই সর্ষের মধ্যে ভূত থাকে। একজন ভালো অভিনেতার নাম অপূর্ব অভিনেতা অপূর্ব সত্যিই একজন ভালো অভিনেতা। পর্দায় তার অভিনয় দেখে মুগ্ধ অনেকে। কিন্তু বাস্তবেও কি তিনি অভিনয় করেন? প্রভার কথা শুনে এ প্রশ্নই জাগে মনে। প্রভা একটি অতীত মনে করিয়ে দেন। তাদের বিয়ের পরপর বাংলাদেশ প্রতিদিন-এ বেশ কিছু খবর ছাপা হয়েছিল। তখন অপূর্ব আমাকে ফোন করেছিল। প্রভার দাবি, ওই সময় সে ফোন কনফারেন্সে ছিল। আমার সঙ্গে অপূর্বর আলোচনা সেও শুনেছে। প্রভা সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, 'বলেন ভাই, তখন অপূর্ব আপনাকে বলে নাই, সে আমার পাশে থাকবে? বলছে। আমি সব শুনছি। ও তো আমার সবই জানত। তাহলে এখন কেন উল্টা হইল? ও তো আপনাকে ফোনে বলছিল, অনেকের জীবনেই উল্টা-পাল্টা ঘটনা থাকে, সেগুলো ধরে বসে থাকলে চলে না।' হ্যাঁ, প্রভার কথা সত্য। অপূর্ব কথাগুলো বলেছিল। সে তখন এও বলেছিল, 'অনেক দিনের প্রেম থাকলে সেক্স হতেই পারে। বর্তমানে যারা প্রেম করছে কেউই ভার্জিন না। আমিও ভার্জিন না, তুমিও ভার্জিন না। সমস্যা হলো আমাদেরটা কেউ জানে না, ওরটা [প্রভা] সবাই জেনে গেছে। রাজিব [প্রভার সাবেক প্রেমিক] ট্র্যাপে ফেলে ভিডিও করেছে। এখানে প্রভার দোষ নেই। তাহলে কেন পত্রিকাগুলোতে ওকে দোষারোপ করা হচ্ছে?' অপূর্ব এ কথাগুলো শুধু আমাকে না, অনেক সাংবাদিককেই বলেছিলেন। সবার কাছে তখন সে মানবিক গুণাবলীসম্পন্ন একজন বিশুদ্ধ মানুষ। অপূর্ব কি আসলেই তাই? প্রভা এর উত্তরে বলেন, 'সবই ওর ঢঙ, অভিনয়। বললে বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, ও আমার গায়ে হাত তুলত। প্রায়ই মারধর করত। আগেকার দিনের সিনেমায় দেখেন নাই, শাবানা-ববিতারা কত কষ্ট করে সংসার করত, আমিও ওইভাবে সংসার করছি। মার খেয়ে ব্যথা পাইছি। ব্যথা নিয়ে অপূর্বর জন্য রান্নাও করছি। আমি সংসার করতে চাইছিলাম। তাই মুখ বুঝে সব সহ্য করছি। কিন্তু পারি নাই। ও আমাকে সহ্য করতে পারত না।' অনেকেই জানে, অপূর্বর মাথা কিছুটা গরম। প্রভাও সেটা জানত। অপূর্বর আরও কিছু মানবিক সমস্যা আছে, প্রভা সেটাও জানত। তবুও কেন প্রেম হলো? এ বিষয়ে প্রভা বলেন, 'আমি জানি না, কিচ্ছু জানি না। কিভাবে যেন কি হয়ে গেল। বিশ্বাস করেন ভাই, আমি কোনো দিনও ওরে পছন্দ করতাম না। অনেকেই জানে। আমি সবার কাছে অপূর্বরে নিয়া হাসহাসি করতাম। বলতাম, কাইল্লা পোলা, ও আবার নায়ক হইছে। একসাথে কাজ করলে কি হবে, দূরে দূরে থাকতাম। মোটকথা ওরে ভালোই লাগত না।' ভালো লাগা প্রসঙ্গে প্রভা বলেন, 'অপূর্ব খুব ভালো করে জানে, কিভাবে মেয়েদের দুর্বল করতে হয়। ওর কেয়ারিং দেখে আমি পাগল হইছি। পাগলের মতোই ভালোবাসছি।' প্রভার কথায় বোঝা যায়, অনেক মেয়ের সঙ্গে অপূর্বর প্রেম ছিল। এ বিষয়ে তিনি বলেন, 'একটা কথা শুনলে অবাক হবেন, আমাকে বের করে দেওয়ার পনের দিনের মাথায় ওর বাসায় একটি মেয়ে আসে। ওর কাছে প্রায়ই মেয়ে আসত। তারা বাসায় বউদের মতোই থাকত। রান্নাবান্না করত। আর এ নিয়া ওর বাসার মানুষের কোনো মাথাব্যথা নাই।' ডিভোর্সের ব্যাপারে প্রভা বলেন, 'অনেকে বলছে, ডিভোর্সে আমার মন খারাপ হয় নাই। আরে কষ্ট তো আমার হইছে, হয় নাই অপূর্বর। ও তো ডিভোর্স দিয়া বাঁইচা গেছে।' দেনমোহরের ব্যাপারে প্রভার ভাষ্য : 'সবাইকে বলা হচ্ছে, আমি দেনমোহরের টাকা পাইছি। আসলে আমি টাকা পাই নাই। অপূর্ব আমাকে বলছে কোর্টে গিয়া টাকা নিতে। আমি এটা চাই না। কোর্টে গেলে নোংরামি আরও বাড়বে। আর আমি এত ছোটলোক না যে ডিভোর্সের পর অপূর্বর টাকা নেব।'
কথা সত্যি, আজ যদি ২৫ বছর বয়স্ক কোন ছেলে যদি নিজেকে ভার্জিন বলে দাবি করে, তাকে আমরা লুজার ই বলব। যদি ২৫ বছর বয়সের কোন ছেলে ভার্জিন না হয়, তবে ২৩ বছর বয়সের কোন মেয়ের ও ভার্জিন হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। আমাদের ছেলেদের মধ্যে ডমিনেশনের একটা টেন্ডেসি কাজ করে। তা না হলে দেখুন কেন প্রভাকে নিয়ে এত সমালচনার ঝর বইছে, আর অপর পাশে রাজিব চারদিক থেকে বাহবা নিচ্ছে।
প্রভা একজন ভাল অভিনেত্রি। একথা কেউ অস্বিকার করবেননা যে প্রভার মত টেলেন্টেড অভিনেত্র বাংলাদেশে প্রয়োজন আছে। তাই আমি আশা করি প্রভা খুব দ্রুত কিছু ভাল কাজের মাধ্যমে ছোট পর্দায় ফিরে আসবেন।
নিচের প্রতিবেদন টি পরুনঃ
জাকারিয়া সৌখিন-২২ ফেব্রুয়ারি
বাংলাদেশ প্রতিদিন-এ অপূর্ব-প্রভার ডিভোর্সের খবর ছাপা হয়েছে। সারাদিন এ নিয়ে নানা মানুষের কৌতূহল। ওইদিন রাত ৮টা ১২ মিনিটে আমার মোবাইলে একটি ফোন আসে। নিভু নিভু কণ্ঠের উচ্চারণ, 'আমি প্রভা বলছি...'। যাকে কেউ খুঁজে পাচ্ছে না, তার ফোন! বিস্ময়করই বটে। প্রভা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার কিছু কথা আছে। কথা তো থাকবেই। জল অনেক ঘোলা হয়েছে। কিন্তু কখনো মুখ খুলেননি তিনি। এবার মুখ খুলবেন। বললেন, 'শুধু একতরফাভাবে সবাই আমাকে দোষারোপ করেই গেল। আমি দোষী। কিন্তু সব দোষই কি আমার? এর ভাগিদার কি আর কেউ না?' প্রভার কথায় যুক্তি আছে। এক হাতে তালি বাজে না কখনো। তিনি জানান, ডিভোর্স নেওয়ার কোনো ইচ্ছা ছিল না তার। সংসার বাঁচানোর অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু পারেননি। তিনি বলেন, 'আমার চৌদ্দ গোষ্ঠীর মধ্যে কারও ডিভোর্স হয় নাই। আমার হইছে। আমি এটা চাই নাই। সংসার করার অনেক চেষ্টা করছি। কিন্তু পারি নাই।' প্রভার এ কথার সঙ্গে অপূর্বর কথার কোনো মিল নেই। অপূর্বও তো সংসার করতে চেয়েছেন। বিয়ের পরপর, এমনকি রাজিবের সঙ্গে প্রভার অনৈতিক ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ হওয়ার পরও অপূর্ব বলেছিলেন, তিনি প্রভার হাত কখনো ছাড়বেন না। এটিএন নিউজ-এ মুনি্ন সাহার উপস্থাপনায় অপূর্ব ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি প্রভার পাশে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। তাহলে সমস্যা হলো কোথায়? সমস্যা আছে। সেই সমস্যার কথা জানিয়ে প্রভা আবারও প্রমাণ করলেন, সত্যিই সর্ষের মধ্যে ভূত থাকে। একজন ভালো অভিনেতার নাম অপূর্ব অভিনেতা অপূর্ব সত্যিই একজন ভালো অভিনেতা। পর্দায় তার অভিনয় দেখে মুগ্ধ অনেকে। কিন্তু বাস্তবেও কি তিনি অভিনয় করেন? প্রভার কথা শুনে এ প্রশ্নই জাগে মনে। প্রভা একটি অতীত মনে করিয়ে দেন। তাদের বিয়ের পরপর বাংলাদেশ প্রতিদিন-এ বেশ কিছু খবর ছাপা হয়েছিল। তখন অপূর্ব আমাকে ফোন করেছিল। প্রভার দাবি, ওই সময় সে ফোন কনফারেন্সে ছিল। আমার সঙ্গে অপূর্বর আলোচনা সেও শুনেছে। প্রভা সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, 'বলেন ভাই, তখন অপূর্ব আপনাকে বলে নাই, সে আমার পাশে থাকবে? বলছে। আমি সব শুনছি। ও তো আমার সবই জানত। তাহলে এখন কেন উল্টা হইল? ও তো আপনাকে ফোনে বলছিল, অনেকের জীবনেই উল্টা-পাল্টা ঘটনা থাকে, সেগুলো ধরে বসে থাকলে চলে না।' হ্যাঁ, প্রভার কথা সত্য। অপূর্ব কথাগুলো বলেছিল। সে তখন এও বলেছিল, 'অনেক দিনের প্রেম থাকলে সেক্স হতেই পারে। বর্তমানে যারা প্রেম করছে কেউই ভার্জিন না। আমিও ভার্জিন না, তুমিও ভার্জিন না। সমস্যা হলো আমাদেরটা কেউ জানে না, ওরটা [প্রভা] সবাই জেনে গেছে। রাজিব [প্রভার সাবেক প্রেমিক] ট্র্যাপে ফেলে ভিডিও করেছে। এখানে প্রভার দোষ নেই। তাহলে কেন পত্রিকাগুলোতে ওকে দোষারোপ করা হচ্ছে?' অপূর্ব এ কথাগুলো শুধু আমাকে না, অনেক সাংবাদিককেই বলেছিলেন। সবার কাছে তখন সে মানবিক গুণাবলীসম্পন্ন একজন বিশুদ্ধ মানুষ। অপূর্ব কি আসলেই তাই? প্রভা এর উত্তরে বলেন, 'সবই ওর ঢঙ, অভিনয়। বললে বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, ও আমার গায়ে হাত তুলত। প্রায়ই মারধর করত। আগেকার দিনের সিনেমায় দেখেন নাই, শাবানা-ববিতারা কত কষ্ট করে সংসার করত, আমিও ওইভাবে সংসার করছি। মার খেয়ে ব্যথা পাইছি। ব্যথা নিয়ে অপূর্বর জন্য রান্নাও করছি। আমি সংসার করতে চাইছিলাম। তাই মুখ বুঝে সব সহ্য করছি। কিন্তু পারি নাই। ও আমাকে সহ্য করতে পারত না।' অনেকেই জানে, অপূর্বর মাথা কিছুটা গরম। প্রভাও সেটা জানত। অপূর্বর আরও কিছু মানবিক সমস্যা আছে, প্রভা সেটাও জানত। তবুও কেন প্রেম হলো? এ বিষয়ে প্রভা বলেন, 'আমি জানি না, কিচ্ছু জানি না। কিভাবে যেন কি হয়ে গেল। বিশ্বাস করেন ভাই, আমি কোনো দিনও ওরে পছন্দ করতাম না। অনেকেই জানে। আমি সবার কাছে অপূর্বরে নিয়া হাসহাসি করতাম। বলতাম, কাইল্লা পোলা, ও আবার নায়ক হইছে। একসাথে কাজ করলে কি হবে, দূরে দূরে থাকতাম। মোটকথা ওরে ভালোই লাগত না।' ভালো লাগা প্রসঙ্গে প্রভা বলেন, 'অপূর্ব খুব ভালো করে জানে, কিভাবে মেয়েদের দুর্বল করতে হয়। ওর কেয়ারিং দেখে আমি পাগল হইছি। পাগলের মতোই ভালোবাসছি।' প্রভার কথায় বোঝা যায়, অনেক মেয়ের সঙ্গে অপূর্বর প্রেম ছিল। এ বিষয়ে তিনি বলেন, 'একটা কথা শুনলে অবাক হবেন, আমাকে বের করে দেওয়ার পনের দিনের মাথায় ওর বাসায় একটি মেয়ে আসে। ওর কাছে প্রায়ই মেয়ে আসত। তারা বাসায় বউদের মতোই থাকত। রান্নাবান্না করত। আর এ নিয়া ওর বাসার মানুষের কোনো মাথাব্যথা নাই।' ডিভোর্সের ব্যাপারে প্রভা বলেন, 'অনেকে বলছে, ডিভোর্সে আমার মন খারাপ হয় নাই। আরে কষ্ট তো আমার হইছে, হয় নাই অপূর্বর। ও তো ডিভোর্স দিয়া বাঁইচা গেছে।' দেনমোহরের ব্যাপারে প্রভার ভাষ্য : 'সবাইকে বলা হচ্ছে, আমি দেনমোহরের টাকা পাইছি। আসলে আমি টাকা পাই নাই। অপূর্ব আমাকে বলছে কোর্টে গিয়া টাকা নিতে। আমি এটা চাই না। কোর্টে গেলে নোংরামি আরও বাড়বে। আর আমি এত ছোটলোক না যে ডিভোর্সের পর অপূর্বর টাকা নেব।'
কথা সত্যি, আজ যদি ২৫ বছর বয়স্ক কোন ছেলে যদি নিজেকে ভার্জিন বলে দাবি করে, তাকে আমরা লুজার ই বলব। যদি ২৫ বছর বয়সের কোন ছেলে ভার্জিন না হয়, তবে ২৩ বছর বয়সের কোন মেয়ের ও ভার্জিন হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। আমাদের ছেলেদের মধ্যে ডমিনেশনের একটা টেন্ডেসি কাজ করে। তা না হলে দেখুন কেন প্রভাকে নিয়ে এত সমালচনার ঝর বইছে, আর অপর পাশে রাজিব চারদিক থেকে বাহবা নিচ্ছে।
প্রভা একজন ভাল অভিনেত্রি। একথা কেউ অস্বিকার করবেননা যে প্রভার মত টেলেন্টেড অভিনেত্র বাংলাদেশে প্রয়োজন আছে। তাই আমি আশা করি প্রভা খুব দ্রুত কিছু ভাল কাজের মাধ্যমে ছোট পর্দায় ফিরে আসবেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন